নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
রাঙামাটিতে কিশোর গ্যাং, মাদক কারবারি ও অনলাইন জুয়ার ভয়াবহতা থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন রাঙামাটিবাসী। রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সচেতন রাঙামাটিবাসীর আয়োজনে এক মানববন্ধনে বক্তারা এই দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জামায়াত ইসলামীর পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মোখতার আহমেদ, রাঙামাটি জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল আলীম, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য আবু সাদাৎ সায়েম, রিজার্ভ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল মোস্তফা, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম, হেফাজতে ইসলামের রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবুল হাশেম, হিল সার্ভিস রাঙামাটি জেলা সভাপতি মিনারা বেগম, এফপিএবি রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি সাহিদা আক্তার, রাঙামাটি হিল সার্ভিসের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মাসুদ রানা রুবেলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাদক বিক্রি, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি, র্যাগিং, অনলাইন ক্যাসিনো-এসব অপসংস্কৃতির পেছনে যারা আছে, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নিতে হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না। সমাজকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনে কঠোর আইন প্রয়োগ দাবি জানান বক্তারা।
জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোখতার আহমেদ বলেন, মাদক ও কিশোর গ্যাং কোনো পরিবারকে ছাড়ে না। তাই রাঙামাটিকে রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পাহাড়ে যারা মাদক ছড়াচ্ছে, যারা শিশু-কিশোরকে ব্যবহার করছে-তাদের শেকড় উপড়ে ফেলতে হবে।
রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল বলেন, রাঙামাটিতে মাদক ব্যবসা, গ্যাং কালচার এবং অনলাইন জুয়া একটি নীরব মহামারি। প্রশাসন, পরিবার, শিক্ষক-সবাইকে হাতে হাত রেখে শপথ নিতে হবে কিশোর গ্যাং ও ‘মাদকমুক্ত রাঙামাটি’ গড়তে হবে।
মানববন্ধনের সভাপতি আনোয়ার আল হক বলেন, এই পাহাড়ে কোনো কিশোর গ্যাং ও মাদকের আস্তানা হতে দেব না। মাদক ব্যবসায়ী, গ্যাং লিডার-যেই হোক, তাকে রাঙামাটির মাটিতে জায়গা দেওয়া হবে না।

