ইয়াছিন রানা সোহেল॥
কাপ্তাই লেক, সুবলং ঝরনা, পলওয়েল পার্ক, রাজবন বিহার ও ঝুলন্ত সেতুর মতো দর্শনীয় স্থানগুলোর টানে প্রতিবছর দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকেরা ছুটে আসেন রূপের রানী রাঙামাটিতে। তবে এ সকল আকর্ষণীয় দিকের পাশাপাশি এক বড় সমস্যা পর্যটকদের ভ্রমণকে অনেক সময় দুর্বিষহ করে তোলে; তা হলো লোকাল বাহন তথা যাতায়াত ব্যবস্থার দুর্বলতা ও বিড়ম্বনা।
রাঙামাটির ভৌগোলিক অবস্থান অনেকটাই পাহাড়ি ও দুর্গম। ফলে এখানে রাস্তাঘাট সরু এবং বাঁকানো। এই কারণে বড় পরিবহন সহজে চলাচল করতে পারে না। শহরে চলাচলের একমাত্র বাহন সিএনজি অটোরিকশা। আর কাপ্তাই হ্রদে ঘুরে বেড়ানোর একমাত্র বাহন ইঞ্জিন চালিত বোট। এই দুটো বাহনের উপর নির্ভর করেই পর্যটকদের ঘুরে বেড়াতে হয়। এখানেই ঘটে বিপত্তি আর পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। বাড়তি ভাড়া আর চালকদের অসৌজনমূলক আচরণ পর্যটকদের বিরক্ত ও বিভ্রান্ত করে। এতে করে পর্যটকদের ভ্রমনের আনন্দটাই অনেক সময় মিইয়ে যায়।
আট কিলোমিটারের ছোট্ট শহরে প্রায় ১৮০০ সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করে। রাঙামাটি সিএনজি অটোরিকশা চালক সমিতির তথ্যমতে সমিতির অধীনে ১৪১৬টি সিএনজি রেজিস্ট্রেশন ভুক্ত রয়েছে। এর বাইরেও প্রায় দুইশত অনটেস্ট ও চট্টগ্রামের প্রায় তিনশত অটোরিকশা রাঙামাটি শহরে আসা-যাওয়া করে। লোকাল এই বাহনে ভ্রমনে পর্যটকদের অনেক সময় বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।
রাজশাহী থেকে আসা কলেজ ছাত্রী তাহসিন ফারিয়া জানান, ‘রাঙামাটির রাস্তাগুলো সরু ও উঁচু-নিচু হওয়ায় বাস বা বড় গাড়ি সহজে চলে না। তাই লোকাল বাহনের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি বা নির্ভরযোগ্য পরিবহন সার্ভিস নেই। স্থানীয় চালকেরা নিজেরা যেভাবে খুশি ভাড়া নেয়।’ বাড়তি ভাড়া আর কিছু চালকের অসদাচরণের অভিযোগ করেন কুমিল্লার চান্দিনা থেকে আসা দম্পতি নিশাদ-ঝুমা, ঢাকা থেকে বন্ধুদের নিয়ে আসা জাহিদ হাসান, পিরোজপুর থেকে পরিবার নিয়ে আসা ব্যবসায়ী জয় সেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চালক বলেন, ‘এখানে পর্যটন মৌসুমে ভিড় বাড়ে, তখন আমরাও একটু বেশি ভাড়া নিই। কারণ, অফ সিজনে আমাদের আয় তেমন হয় না। আবার অনেক পর্যটক দরকষাকষি না করেই ভাড়া দিয়ে দেয়, তাই আমরাও সুযোগ নিই।”
অনেক সময় পর্যটকদের হাতে পর্যাপ্ত সময় না থাকায় তারা তাড়াহুড়ো করেন। এ সুযোগে কিছু চালক অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এই বাহন শুধু পর্যটকদের নয়, হরহামেশায় স্থানীয় লোকদেরও ভোগাচ্ছে। শহরের ভেদভেদির বাসিন্দা নির্ঝর দেওয়ান বলেন, ‘শুধু পর্যটকরাই নয়, আমরাও এই লোকাল বাহনের ভোগান্তিতে পড়ি। সকাল-বিকেলে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরাও সিএনজি না পেয়ে দেরি করে। অথচ প্রশাসন চাইলে বিকল্প পরিবহন রাস্তায় নামিয়ে এই খাতটা অনেকটাই গুছিয়ে ফেলা সম্ভব।’ শিক্ষার্থী সুমি, রাসেল, বৃষ্টি ত্রিপুরা, অনু মারমা আক্ষেপ করে বলেন, ‘সিএনজি অটোরিকশার বাড়তি ভাড়া বিড়ম্বনাতো আছেই; সবচেয়ে দুঃখ লাগে কিছু চালকের জঘন্য ব্যবহার।’
রাঙামাটি সিএনজি অটোরিক্সা চালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবু যাত্রী ও পর্যটকদের ভোগান্তির বিষয়টি স্বীকার করেন বলেন, ‘কিছু চালক বাড়তি ভাড়া নেয় এবং কেউ কেউ অশোভন আচরণও করে। জেলাপ্রশাসন নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট থাকা সত্ত্বেও যারা বাড়তি ভাড়া নেয় অভিযোগ পেলে সেসমস্ত চালকের শাস্তি নিশ্চিত করি। পর্যটকদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় বন্ধেও কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানান তিনি। তিনি জানান, সিএনজি অটোরিকশা চালকদের শৃঙ্খলায় আনতে আমরা যথেষ্ট চেষ্টা করছি। এটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার বলে জানান তিনি।’
রাঙামাটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষনের কেন্দ্রবিন্দু দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম কাপ্তাই হ্রদ। ৭২৫ বর্গকিলোমিটারের বিশাল এই হ্রদকে ঘিরে অসংখ্য পর্যটন স্পট গড়ে উঠেছে। এসব স্পটে ঘুরে বেড়ানোর একমাত্র বাহন ইঞ্জিন চালিত দেশীয় ট্যুরিস্ট বোট। শহরের বিভিন্ন স্পটে ট্যুরিস্ট বোট পাওয়া গেলেও রিজার্ভ বাজার ও পর্যটন ঘাটে সবচেয়ে বেশি বোট থাকে। সচরাচর এখান থেকেই পর্যটকরা বোট ভাড়া নিয়ে থাকেন। রিজার্ভ বাজার এলাকায় ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির অধীনে ছোট-বড় প্রায় একশোটি এবং পর্যটন নৌযান ঘাটে ১২৫টি ছোট-বড় ট্যুরিস্ট বোট রয়েছে বলে সমিতি সূত্রে জানা যায়। এছাড়াও বিভিন্ন পর্যটন স্পটে নিজস্ব কিছু বোট থাকে। পর্যটকরা সেখান থেকেও বোট ভাড়া করে ঘুরতে পারেন। তবে এখানেও বিড়ম্বনা কম-বেশি পোহাতে হয় পর্যটকদের। মান্দাতা আমলের লক্করঝক্কর বোট, অধিক ভাড়া নিয়ে বাড়াবাড়ি, পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট না থাকা, নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে না পৌঁছা। এসব নিয়ে তিক্ত-বিরক্ত পর্যটকগণ।

ঢাকা থেকে পরিবারসহ বেড়াতে আসা নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা খুব উৎসাহ নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু এখানকার সিএনজি অটোরিকশা এবং ট্যুরিস্ট বোটে চড়তে গিয়ে বিরক্ত হয়েছি। নৌপথে চলাচলকারী বোটগুলোর লাইফ জ্যাকেট আছে বটে; তবে তা খুবই নোংরা। আবার অনেকে পর্যটক দেখলে বেশি টাকা দাবি করে।’
ফরিদপুর ভাঙ্গা কলেজের অধ্যাপক মোসাদ্দেক হোসেন ঢালি পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। ছোট্ট একটি বোট ভাড়া নিলেন রিজার্ভ বাজার থেকে। সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ৬/৭টা স্পট ঘুরে এসে ভাড়া পরিশোধ করেছেন সাড়ে চার হাজার টাকা। অথচ একই বোটের ভাড়া দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। বিষয়টি জেনে তিনি খুবই বিরক্তবোধ করেছেন। শুধু প্রফেসর ঢালি নন; প্রায়শ: ভাড়া নিয়ে বাড়াবাড়ির এমন অভিযোগ শোনা যায়।
রাঙামাটি ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নেজামুল হক বাড়তি ভাড়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘পর্যটকদের বাড়তি ভাড়া বলতে হয়। কারণ নির্ধারিত ভাড়া বলার পরেও পর্যটকরা দর কষাকষি করে ভাড়া কমাতে চায়। সে কারণে যে ভাড়াটা আড়াই তিন হাজারের সেটা চার বা সাড়ে চার হাজার টাকা বলতে হয়। পরে দরাদরি করে আড়াই তিন হাজারে যেতে রাজি হয়। ট্যুরিস্ট বোটের ক্ষেত্রে সরকার ভাড়া নির্ধারিত করে না দেয়ায় এই সমস্যায় পড়তে হয় বলে তিনি জানান। তবে শহরের অন্যান্য ঘাটের চেয়ে ছোট-বড় যেকোন বোটে প্রায় এক হাজার টাকা কম রাখেন বলে তিনি দাবি করেন।’
পর্যটন নৌযান ঘাট বোট মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ রজমান আলী বলেন, ‘পর্যটন নৌযান ঘাটে আমরা সুশৃঙ্খলভাবে নিয়ম পালন করি। আমাদের বোট আছে পাঁচ কোয়লিটির। এক ঘন্টা থেকে শুরু করে সারাদিনের প্যাকেজ রয়েছে। ভাড়ার চার্ট দেয়া আছে। তাই পর্যটকদের সাথে চালকদের মধ্যে ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হওয়ার সুযোগ নেই।’
স্থানীয় পর্যটন উদ্যোক্তা হিল সার্ভিসের পরিচালক মাসুদ রানা রুবেল বলেন, ‘যদি একটি পর্যটন বান্ধব লোকাল ট্রান্সপোর্ট নীতিমালা করা হয়; যেখানে প্রত্যেক চালক নিবন্ধিত থাকবে এবং নির্ধারিত ভাড়া মানতে বাধ্য থাকবে। তাহলে পর্যটকদের অসন্তোষ কমবে এবং ভালো অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরে যাবে।’

তবে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এসব সমস্যার সহজ সমাধান হতো বলে মনে করছেন সচেতন ব্যক্তিগণ। তাঁদের মতে, সরকারি উদ্যোগে একটি অ্যাপ বা ওয়েবসাইট চালু করা, যেখানে রুটওয়ারি বা গন্তব্য অনুযায়ী সর্বশেষ নির্ধারিত ভাড়া (বাস, সিএনজি অটোরিকশা, কার, নোহা, ইঞ্জিন চালিত বোট, মোটরবাইক) অনুমোদিত অপারেটরদের তালিকা এবং অভিযোগ করার পদ্ধতি থাকবে। একইসাথে সিএনজি অটোরিকশা ও কার, মাইক্রোতে ই-মিটার বাধ্যতামূলককরণ এবং ডিজিটাল পেমেন্ট (মোবাইল ওয়ালেট, কার্ড) অপশন চালু করা, যাতে ভাড়া নিয়ে বিরোধ কমে।
সোশ্যাল এক্টিভিটস নাছির উদ্দিন সোহেল বলেন, ‘পর্যটন নগরী হিসেবে রাঙামাটি সম্পর্কিত একটি এ্যাপস থাকা দরকার। যেখানে হোটেল-মোটেল নাম ঠিকানা থাকবে। পর্যটন স্পটের নাম ও কত টাকা ভাড়া তাও উল্লেখ থাকবে। যানবাহনের ভাড়ার তালিকা থাকবে তাতে পর্যটকরা সহজেই রাঙামাটি সম্পর্কে জানতে পারবে এবং সহজেই যাতায়াত করতে সুবিধা হবে।’
দুর্নীতি প্রতিরাধ কমিটি (দুপ্রক) রাঙামাটি জেলা সভাপতি ওমর ফারুক বলেন, ‘পর্যটন শিল্পের বিকাশে স্থানীয় বাহন অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রাঙামাটিতে স্থানীয় বাহন হিসেবে থ্রি হুইলার অটোরিকশা ছাড়া আর কোন বাহন নেই। শহরের মূল সড়কের নির্দিষ্ট পয়েন্টে চলাচলের ক্ষেত্রে যাত্রী প্রতি রেট নির্ধারণ করা আছে। এ সকল পয়েন্টের বাইরে কিংবা শাখা সড়ক গুলোতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে অটোরিকশা চালকগন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চার্জ করেন। আরেকটা বড় সমস্যা হল, একটি পর্যটন নগরী হিসেবে চালকগণের মাইন্ড সেট এবং আচরণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে পর্যটক বান্ধব নয়। সবচেয়ে নাজুক ও অরাজক অবস্থা হচ্ছে পর্যটকবাহী বোট গুলোর ক্ষেত্রে। ভাড়ার সুনির্দিষ্ট তালিকা নেই, মান্ধাতার আমলের বোট, অনিরাপদ এবং আরামদায়ক নয়। মোদ্দা কথা, পুরো পর্যটন শিল্পের বিকাশে স্থানীয় বাহনগুলো পেশাদার হয়ে উঠতে পারেনি। অথচ লেক-পাহাড়ের অনন্য সাধারণ মেলবন্ধনে এবং বৈচিত্র্যময় রাঙামাটিতে পর্যটন শিল্প বিকাশের অপরিসীম সম্ভাবনা রয়েছে। আর এ জন্য স্থানীয় যানবাহন চালকদের মাইন্ডসেটের উন্নয়ন, পেশাদারিত্বের উন্নয়ন, আচরণবিধি, পর্যটন শিল্পের বিকাশে চালকদের ভূমিকা ইত্যাদি বিষয়ে চালক সমিতি, প্রশাসন, পর্যটন উদ্যোক্তাসহ স্টেকহোল্ডারদের বহুপাক্ষিক সমন্বিত ও পরিকল্পিত কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
পর্যটকদের নিরাপত্তা প্রদানে অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি স্পেশালী কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। পর্যটকদের বিভিন্ন অভিযোগ-অনুরোধে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তাঁরা। লোকাল বাহন বিড়ম্বনা নিয়ে কথা বলেছিলাম ট্যুরিস্ট পুলিশ রাঙামাটি রিজিয়নের পুলিশ সুপার নিহাদ আদনান তাইয়ানে সাথে। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন স্পটে ট্যুরিস্ট পুলিশের হটলাইন ও কন্ট্রোল রুমের নম্বর সম্বলিত ব্যানার ও বোর্ড টানানো আছে। যে কেউ সেই নম্বরে কল দিলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে টিম পাঠিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করি। আমাদের ২৪ ঘন্টা ইমার্জেন্সি টিম থাকে যারা ১০/১৫ মিনিটে রেসপন্স করতে পারবে। লোকাল বাহনে ভাড়া নির্ধারণ করা আছে, তা না মানলে সেটা আইনের ব্যত্যয়। আমাদের জানালে বা অভিযোগ দিলে আমরা ট্রাফিক পুলিশের সাথে সমন্বয় করে বা প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টের সহায়তা নিয়ে সমস্যা সমাধান করব।’
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের পর্যটন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য মোঃ হাবীব আজম বলেন, ‘পর্যটকদের রাঙামাটি ভ্রমনে লোকাল বাহন বিড়ম্বনা নতুন নয়। তবে এই সেক্টরে পরিবর্তন আনতে আমরা চেষ্টা করছি। যেহেতু পর্যটন শহর সেহেতু চালকদের আচার-আচরণের উপর পর্যটকদের সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টির বিষয়টাও নির্ভর করে। চালকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বুঝাতে হবে- পর্যটকদের সাথে যত ভালো ব্যবহার করবে; ততই পর্যটক সমাগম বাড়বে। আর পর্যটকের আনাগোনা বাড়লে তাদেরও আয়-রোজগার বাড়বে। জেলা পরিষদ থেকে চালকদের প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে। একইসাথে প্রতিটি পর্যটক বহনকারী বাহনে দর্শনীয় স্থানসমূহের বর্ণনা ও যাতায়াতের বিবরণসহ প্রচারপত্র ঝুলিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
রাঙামাটিতে আসা পর্যটকদের কাছে লোকাল বাহনের বিড়ম্বনা এক নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়ে উঠছে। এই সমস্যা নিরসনে স্থানীয় প্রশাসন, পরিবহন মালিক ও চালক সংগঠন এবং পর্যটন সংশ্লিষ্টদের সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। নয়তো অদূর ভবিষ্যতে রাঙামাটির পর্যটন শিল্প ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
লেখক: বার্তা সম্পাদক, দৈনিক পার্বত্য চট্টগ্রাম ও পাহাড়২৪ ডটকম|

