নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রাঙামটির দুর্গম হেলিসর্টি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার, ভোটের সরঞ্জাম ও কর্মকর্তা হেলিকপ্টারে পাঠানো শুরু হয়েছে। শনিবার সকালে জেলার হেলিসর্টি ২০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রথম ভাগে তিনটি উপজেলায় চারটি কেন্দ্রের নির্বাচনী সরঞ্জাম ও জনবল পাঠানো হয়। এর মধ্যে বরকল উপজেলায় দুটি, জুরাছড়ি উপজেলায় একটি ও বিলাইছড়ি উপজেলায় একটি কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জামসহ ব্যালট ও কর্মকর্তারা রয়েছেন।
নির্বাচনের দিন ভোটাররা পাহাড় ডিঙ্গিয়ে কোনো রকমে এসব ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারলেও ভোটের কাজে নিয়োজিত লোকজনদের যেতে হয় কয়েকদিন আগে। এসব কেন্দ্রের বেশিরভাগই মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে, ফলে ফলাফলও পেতেও বিলম্ব হয়।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০টি হেলিসর্টি কেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছেন ৩৩ হাজার ৪৪৫ জন। এর মধ্যে বাঘাইছড়ি উপজেলায় ছয়টি হেলিসর্টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। যেখানে ভোটার রয়েছে ১১ হাজার ৬ জন। সীমান্তবর্তী আরেক উপজেলা বরকলের আইমাছড়া ও বড় হরিণা ইউনিয়নের দুটি হেলিসর্টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা চার হাজার ১৩১ জন। জেলার অন্যতম দুর্গম উপজেলা জুরাছড়িতে হেলিসর্টি সাতটি কেন্দ্রে মোট ভোটার ১০ হাজার ৩১৯ জন। বিলাইছড়ি উপজেলার দুটি ইউনিয়নে মোট পাঁচটি হেলিসর্টি ভোটকেন্দ্রে ভোটার রয়েছে। সাত হাজার ৯৯৩ জন।

রাঙামাটি পুলিশ সুপার মুহম্মদ আবদুর রকিব বলেন, রাঙামাটি আসনে ২১৩ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ২০টি হেলিসর্টি কেন্দ্রকে লাল বা অতি গুরত্বপূর্ণ, ১৪৯টি কেন্দ্রকে হলুদ বা গুরুত্বপূর্ণ এবং বাকি ৪৪টি কেন্দ্রকে সবুজ বা সাধারণ কেন্দ্র হিসেব চিহ্নিত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভোটারদের নিরাপদে ভোট দিতে পারে তার জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৩ হাজারের বেশি সেনাবাহিনী, ৩৭ প্লাটুন বিজিবি, ১ হাজার ৫৯৭ পুলিশ ও ২ হাজার ৭৬৯ জন আনসার মাঠে রয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমা আশরাফী বলেন, আজকে(শনিবার) থেকে হেলিসর্টি কেন্দ্রে ব্যালটসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম ও কর্মকর্তা পাঠানো শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবগুলো কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

